রূপগঞ্জে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আহলে সুন্নত ওয়াল জামাতের বর্ণাঢ্য র‍্যালি

ডেষ্ক রিপোর্ট :পবিত্র ১২ রবিউল আউয়াল ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে আহলে সুন্নত ওয়াল জামাত কমিটির উদ্যোগে বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ উপলক্ষে তারাবো পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দিঘী বরাব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মোড় থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিশ্বরোড এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। এতে স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
র‍্যালিতে অংশ নেওয়া মুসল্লিদের হাতে বিভিন্ন ব্যানার ও ফেস্টুন দেখা যায়। এ সময় পুরো এলাকা ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর বিভিন্ন স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে। অংশগ্রহণকারীরা “জশনে জুলুস ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.), যোগ দিন দলে দলে”—এমন স্লোগান দেন।
আয়োজক কমিটির নেতৃবৃন্দ বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র জন্ম ও তাঁর মহান জীবনাদর্শ স্মরণ করে তাঁর প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশের উদ্দেশ্যেই এ আয়োজন করা হয়েছে। মহানবী (সা.) যে শান্তি, মানবতা, ভ্রাতৃত্ব ও ন্যায়বিচারের শিক্ষা দিয়ে গেছেন, তা মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়াই এ ধরনের আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।
র‍্যালি শেষে আয়োজিত আলোচনা ও সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে আহলে সুন্নত ওয়াল জামাত কমিটির নেতৃবৃন্দ ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর তাৎপর্য তুলে ধরেন। বক্তারা মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ করে সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে আহলে সুন্নত ওয়াল জামাত কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আজিম মিয়া, সহ-সভাপতি হাজী মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন এবং সেক্রেটারি মোঃ মনু মিয়াসহ কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা বলেন, মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ সমগ্র মানবজাতির জন্য অনুসরণীয়। তাঁর দেখানো পথে চললে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজে শান্তি ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠা সম্ভব। তাই নতুন প্রজন্মের মাঝে মহানবী (সা.)-এর আদর্শ ও নৈতিক শিক্ষাগুলো ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত এ জশনে জুলুসে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনা। র‍্যালিকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ দেখা যায়।
আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র জীবন, আদর্শ, মানবিক মূল্যবোধ ও শান্তির বার্তা মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে এ ধরনের ধর্মীয় আয়োজন অব্যাহত থাকবে।